মেঘের মুলুকে চল আয়রা তাবাস্সুম পর্ব ১২

0
2

মেঘের মুলুকে চল
আয়রা তাবাস্সুম
পর্ব ১২

[ আগামীকাল ছোট পর্ব না দিয়ে পরশু একেবারে বড় পর্ব দিয়ে দিবো ওকে! হ্যাপি রিডিং। ]
[ গঠনমূলক কমেন্ট টমেন্ট করে আমাকেও ত হ্যাপি করে দিতে পারো মানুষজন! ]

‘মনখারাপ এখন আর নেই। মন ভালো হয়ে গেছে।’ নাজিয়া খুশিখুশি মুখ করে জবাব দিলো।
‘ভালো। পড়াশোনা করেছ কিছু আজ সারাদিন ? নাকি খালি বাঁদরামি? ভার্সিটি যাবে কবে থেকে?’
আযান শার্টের বোতাম খুলে টাওয়াল হাতে ওয়াশরুমে যেতে যেতে একনাগাড়ে প্রশ্নগুলো করে ফেলল। মেয়েটার মনভার আর নেই এ তথ্যই যেনো তাকে মুহুর্তের মধ্যে নির্ভার করে তুলল। ভালো কথাটথা ভুলে মুহূর্তের মধ্যে নিজের আগের ফর্মে ফিরে এলো।

নাজিয়ার প্রেমে ফুরফুরে মেজাজ বিগড়াল তক্ষুনি। বাতাসে বহিছে প্রেম নয়নে লাগিল নেশা টাইপ অনুভূতির রফাদফা হলো মুহূর্তেই! তবুও মাথা ঠান্ডা করে মনকে বুঝালো বদ টা পড়াশোনা নিয়ে হম্বিতম্বি করলেও রাগ হওয়া যাবে না। এসব হম্বিতম্বি ছোটবেলায় ভালোবাসা না পাওয়ার ফল৷ এতে বদ টার কোনো দোষ নেই। সব দোষ তার কুটনি শাশুড়ির!

‘আপনি কালকে আমাদের বাসায় যাবেন?’
‘কোন সুখে?’
‘আহহা! বিয়ের কয়েকদিন পর সব মেয়েদের যেতে হয়। একটা রিচুয়াল এটা।’
নাজিয়া খুব ধৈর্য্য নিয়ে কথাগুলো বোঝানোর চেষ্টা চালাল৷ ভাবল গোঁয়ার হউক যেমন ই হোক নাজিয়ার ই ত বর। নিশ্চয় বুঝবে নাজিয়ার কথা।

আযান তখন সবেমাত্র ফ্রেশ হয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছে। আরাম লাগছে দুনিয়াদারি৷ এরই মধ্যে আবার ঘুরে আসার চিন্তাভাবনা তার বড্ড তেতো ঠেকলো। নিজের ঘর বিছানা ছাড়া সহজে ঘুম হয়না তার৷ গতকালও রাতে কাজ শেষ করে ভোরের খানিকটা আগে ঘুমিয়ে সকালে অফিসে ছুটতে হয়েছে। আজ তবুও একটু ঘুমোতে পারবে এই যা। সেই প্রেক্ষিতে কাল ও বাড়িতে গিয়ে উঠার বিন্দুমাত্র সায় দিলো না মন। মনটা আবার এতেও রাজি নয় তৎক্ষনাৎ যাবো না জবাব দিয়ে মেয়েটাকে কষ্ট দিতে, তার চেহারায় আবারো মলিনতা আনতে।

তাই কোনোমতে বিতৃষ্ণা দমিয়ে উত্তর দিলো, ‘আচ্ছা যাবো। তবে রাতে থাকবো না আমি।’
‘এটা কেমন কথা। অফিস করে আসবেন সন্ধ্যায়। আবার রাতেও থাকবেন না৷ মাম্মা পাপা আপনার জন্য ডিনারের আয়োজন করবে ত। ওদের খারাপ লাগবে আপনি রাতে না থাকলে।’ নাজিয়া চোখমুখ আঁধার করে বলল।
‘ডিনার করে চলে আসব আমি। তুমি থেকো৷ নিজের বিছানা ছাড়া সহজে ঘুম হয়না আমার।’
থেমে থেমে আবারও যোগ করল,’গতকাল রাতেও ঘুম হয়নি আমার। টায়ার্ড আমি।’
নাজিয়া আর বাড়াবাড়ি করল না। কথা বাড়াল না। যাবে বলেছে এটাই ঢের। নাজিয়া ত আর গোঁয়ার টার মত অবুঝ না। সে ত বুঝে অন্যের বিছানায় ঘুম না আসার ব্যাপারটা।

আযান ততক্ষণে চোখ বুজে ঘুমিয়ে পড়েছে বোধহয়৷ নাজিয়া খেয়াল করেছে সেটা৷ অফিস থেকে ফিরেই বদ টা খুউব ক্লান্ত থাকে৷ সে গালে হাত ঠেকিয়ে বেডে হেলান দিয়ে বসে বরের ঘুমিয়ে পড়া ক্লান্ত পরিশ্রান্ত চেহারাটা দেখল একপলক। মিনিট গড়িয়ে গেলো অথচ দেখা যেন শেষ হলো না তার।

এমন চুপচাপ ঘুমন্ত অবস্থায় কি ইনোসেন্ট লাগছে বদ টাকে৷ কেউ বিশ্বাস করবে জেগে থাকলে এই মুখ থেকে কেবল খবরদারী আর চোটপাট বের হয় নাজিয়ার জন্য! দেখতে দেখতেই নাজিয়া ভাবল সে কি তবে একেবারে ধরাশায়ী হয়ে পড়ল বদ টার প্রেমে! এত তাড়াতাড়ি মানুষ প্রেমে পড়ে নাকি নাজিয়া আগেই কাত হয়েছিল বদ টার প্রেমে। শুধু বুঝে উঠতে পারেনি সেটা৷

নাজিয়ার খুউউব অবাক লাগল সবটা। দুদিন আগেও বিয়েটাকে তার মনে হচ্ছিল মস্ত বড় অঘটন। অথচ আজ ভাবছে এরকম অঘটন না হলে এত চমৎকার মানুষটা কখনো আসত তার জীবনে! কি অদ্ভুত মানুষের মন! নাজিয়া বরাবর ঘৃণা করে এমন পুরুষমানুষদের যারা স্ত্রী র কথার মান রাখে না, তাদের ইচ্ছে অনিচ্ছের ধার ধারে না। তার খুব ভয় হতো এরকম মানুষ তার বর হলে! বিয়ে নিয়ে ভীতি ছিল একারণেই। অথচ আল্লাহপাক তাকে এমন মানুষের সাথে জুড়ে দিলো যে হক থাকা সত্ত্বেও নাজিয়ার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তার সাথে জোরাজোরি করেনি। তার ইচ্ছা অনিচ্ছা কে গুরুত্ব দিয়েছে। যতই চোটপাট দেখাক এমন মানুষ নাজিয়া আর দুটো পাবে! কেনো সে ভালোবাসবে না বদ টাকে!

____________________

‘কীরে গাধী! তোর লজ্জা লাগে না আমায় ফোন দিতে! বলেছি না তিন চার মাস ফোন মেসেজ কিছু দিবি না। মাথা থেকে একদম ডিলিট করবি আমাকে! মাথাভর্তি এসব আউলফাউল প্রেমের চিন্তা থাকে বলেই ত কোর্সের পড়া ঢুকে না!’

ইশিতার মেজাজ এমন খারাপ হলো! মাঝেমধ্যে তার মনে হয় তাদের সম্পর্ক টায় সে ব্যাডামানুষ ৷ এই যেমন তার ই সবসময় ভন্ড টাকে নিজে থেকে ফোন দিতে হয়। দেখাটেখা করতে জোরাজোরি করতে হয়। ভন্ড টার এসবের ব্যাপারে একদম গা ছাড়া ভাবসাব।

‘যেভাবে বলছেন যেন খুউব প্রেমালাপ করেন৷ ফোন দিলেই ত খালি পাশের বাসার আন্টিদের মতন বাড়ির এর ওর খবর জানতে চান৷ তারপর ভালো থাকিস বলে আমার খবরটবর না নিয়েই কলটা কেটে দেন। আমি কল না দিলে কল ও দেন না!’
ইশিতার বড় অভিমান হলো এবার।

‘ছোটমানুষ ছোট র মত থাক৷ প্রেমালাপের বয়স হয়নি তোর৷ ইভেন প্রেম করার ও না৷ নেহাৎ আমায় নিজে থেকে প্রপোজ টপোজ করে চমকে দিয়েছিলি তাই আমিও ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে হ্যা বলেছি। ভ্যাবাচ্যাকা খাবো না? যে মেয়েকে ছোটবেলায় বকাধমকের উপ্রে রাখলাম সেই মেয়ে এটুকুনি না হতেই কিনা আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বসে! কি সব নিব্বি মার্কা নাটক সিরিয়াল দেখতি রে তুই! যে গোটা দুনিয়ার মানুষ ফেলে আমাকেই মনে ধরল তোর!’ শেষের কথাগুলো বেশ টিটকারি মেরে তু্ষার বলল।

ইশিতার এবার বড় দুঃখ লাগল। যার জন্য চুরি করি সেই বলে চোর টাইপ অবস্থা তার। কোন দুঃখে যে সে এমন কথায় কথায় চোটপাট করা লোকের প্রেমে পড়তে গেল। ভাবি ত ঠিকই বলেছিল এসব চোটপাট করা লোকেদের প্রেমে যেসমস্ত মেয়েরা পড়ে তারা নিব্বি! আজ ভন্ডটাও তাকে নিব্বি ডাকছে! এই দিন দেখার জন্য সে ভন্ড টাকে ভালোবেসেছে!

রাগে দুঃখে অভিমানে সে কলটা কাটবে এমন সময়েই শুনল আরেকটা মাথায় আগুন ধরিয়ে দেয়া কথা৷
‘যে দুটো কোর্সে ফেইল মেরেছিস ওগুলোর রিটেক এক্সামের রেজাল্টে পাশ না আসা অব্ধি কলটল দিবি না। কল দিলেই আযান ভাইকে গিয়ে জানিয়ে আসব তলে তলে তুই টেম্পু না ট্রাক চালাস। সেটা যে আমার সাথে সেটাও বলব৷ এবার বাকিটা তুই চিন্তা কর৷ আমার সাথে রাগটাগ করে কেবল গাল ফুলিয়ে বসে থাকবি নাকি জেদ দেখিয়ে পড়াশুনা করে পাশ আনবি। ইটস আপ টু ইউ।’
বলে তাকে ফিরতি কিছু বলতে না দিয়েই ওপাশের কলটা কেটে গেল।

ইশিতার ইচ্ছে করল দেয়ালে নিজের মাথা ঠুকতে নাহয় ভন্ড টার। বিয়েটিয়ে করে বউ হলে আর পড়াশোনার প্রেশার নিতে হবে না এই পরিকল্পনা থেকে সে মনোযোগ সহকারে প্রেমের পাঠ পড়েছে এখন সেই মনোযোগ সে কোর্সের পড়ায় দিবে কি করে!
মাথাটা জট পাকিয়ে আছে এমন সময় ফোনের বিপ শব্দে খেয়াল করল ভন্ডটার নাম্বার থেকে আসা মেসেজ টা৷ ভন্ড টা আবার কি ভংচং বলছে এই কৌতুহল থেকেই মেসেজ টা দেখল।

‘তুই ট্যারা জবাব দিস দেখে এভাবে বুঝিয়ে ভয়েসে কথা বলতে পারি নি।সেই মেজাজ থাকে না। এখন মেসেজে ঠান্ডা মাথায় বলছি। জানি না কোন সব সিরিয়াল তুই দেখিস যেখানে একটা প্রেম করলে জীবনে সব ফিক্স হয়ে যায়। তোকে বারবার এই যে পড়তে বলি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মতন ক্যাপেবল হতে বলি কারণ দিনশেষে আমি যতই তোকে ভালবাসি না কেনো আমি মানুষ ই৷ ফেরেশতা না৷ কোনোদিন যদি এমন হয় আমার মতিগতি পাল্টালো আমি চাই না তুই আমার উপর এতটা নির্ভরশীল হয়ে যাস জীবনে আর উঠে দাঁড়াতেই না পারিস। এটাকে অনর্থক অবাস্তব খেয়াল ভাবলেও ভাবতে পারিস তবুও ভালোবাসি দেখে এত বাড়াবাড়ি অহেতুক চিন্তা করি৷
এখন লাইফে ফোকাস করার বয়স। ক্যারিয়ার গড়ার পিক টাইম। প্রেম ভালবাসার জন্য একসাথে পুরো জীবন পড়ে আছে আমাদের।’

মেসেজটা দেখে ইশিতার মন একেবারে কটন ক্যান্ডির মতন গলে গেল। না সে ঠিক মানুষটাকে ই ভালোবেসেছে। সে ত একজায়গায় পড়েছেও, যে তোমাকে জেনুইনলি ভালোবাসে সে সবসময় চাইবে তুমি এগিয়ে থাকো। নিজের লাইফের গোল এচিভ করো। শুধু দু বেলা মুখে মুখে ভালোবাসি বলে তোমাকে লক্ষ্যবিচ্যুত করবে না। তোমাকে এমনভাবে জড়িয়ে ফেলবে না যেন তোমার নিজের জীবন বলতে কিছু না থাকে।

তার ফুরফুরে মেজাজ বিগড়াতেই যেন তুষারের আরেকটা ফিরতি মেসেজ এলো।
‘শেষের কথাটা শুনে অমন খুশিতে হুক্কাহুয়া করার দরকার নেই৷ ওটা শুনলে তোর মত নিব্বি যে খুশিতে পাগলপারা হবে তাই বলেছি।’
বেয়াদপ ভন্ড একটা! রাগে ইশিতার গা জ্বলে উঠল। তারপর পাঁচ মিনিট আগের সমস্তকিছু ভুলে নিজের মনেই বিড়বিড় করল, নাহ! সে ভুল মানুষকে ভালোবেসেছে।

ডিনার শেষে খাবার পেটে পড়ায় ইশিতা ঠান্ডা মাথায় ভাবল সবটা। বুঝল ভন্ড কথা ভুল বলেনি৷ ভন্ড ত এখন থেকেই এতটা ভন্ড যদি বিয়ের পর আসলেই পল্টি মারে! সেই ভাবনায় মনস্থির করল এখন থেকে ভালো করে পড়াশোনা করবে সে। অন্তত সিজি এতটা রাখবে যাতে যে কোনো জায়গায় জবের অ্যাপ্লাই করার পথ খোলা থাকে। হুট করে যাতে কোনো ধাক্কায় মুখ থুবড়ে না পড়তে হয়৷ আর পড়লেও যাতে উঠে দাঁড়াতে পারে।

[আজকের গল্পের লাস্ট পার্টটা আমার আন্ডাপিচ্চি পাঠক গুলোর জন্য যারা এখনো হয়ত কলেজের গন্ডি অব্ধি পার করোনি কিংবা যারা মনে করো একটা প্রেম করলে লাইফে সব ফিক্স হয়ে যায়৷ এমন চিন্তাভাবনার জন্য অবশ্য তোমরা দায়ী নও৷ অল্প বয়সে ফোন হাতে পেয়ে ফেসবুকের অহরহ অমুক ভাই তমুক ভাইয়ের প্রেমে ল্যাদা নায়িকার পিছলে পড়ার গল্প দেদারসে পড়েছ তোমরা৷

হয়তো টিভি সিরিয়ালেও দেখেছ একটা প্রেম করলে লাইফ বিন্দাস৷ রাজপুত্র এসে রুপকথা বানিয়ে দেবে জীবনকে৷ জীবন বাস্তবে এরকম না। অনেক বিশ্রী। এন্ড ট্রাস্ট মি হোয়েন আ’ম সেয়িং দিজ, আমার কখনো মনে হয়নি আমি এখন অব্দি একটাও প্রেম না করে খুব হাতিঘোড়া কিছু মিস করে ফেললাম জীবনে বরং সবসময় মনে হয়েছে ফরচুনেটলি অনেক বিশ্রী এক্সপেরিয়েন্স থেকে বেঁচে গেছি।
আমি বলছি না প্রেম ভালবাসার ব্যাপারটা আগাগোড়া খারাপ তবে এখনের অধিকাংশ প্রেমের সম্পর্ক একটা শো অফ ছাড়া আর কিচ্ছু না। মাঝেমধ্যে ত ব্রেকআপের পর ছেলেটা সামলে উঠলেও মেয়েটার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যায়।

আমি নিজে এমনও দেখেছি আমার ফ্রেন্ডকে প্রপোজ করা সেইম ছেলেটাই দু তিন মাস আগে আমার আরেক ক্লাসমেট কে ইনবক্সে এপ্রোচ করেছিল। মানে বেশিরভাগ ছেলেরা ই মেয়েদের অপশন হিসেবে দেখে। এমেয়ে না হলে ওই মেয়ে এরকম মনমানসিকতা তাদের। হয়তো অল্প কিছু সুপুরুষ জেন্টলম্যান গোছের ছেলেপেলে আছে। তবে সংখ্যায় খুউউব কম! সেই অল্পের ভরসায় তোমরা বিশাল রিস্ক টা নিতে যাবেই বা কেনো!

তাই আমার কিউটিদের প্রতি আমার একটা রিকুয়েস্ট থাকবে। অন্তত বাইশ তেইশ বছর কিংবা দুনিয়াদারী নিয়ে এনাফ ম্যাচুরিটি না আসা পর্যন্ত এসব প্রেম ভালোবাসার চক্করে পড়ো না৷ আগে পড়াশুনা করে একটা ভালো জায়গায় যাও। ভালোমন্দ বুঝতে শিখো৷ তখন নিজেই বুঝবে কোনটা স্বস্তির কোনটা শাস্তির। কেবল দু বেলা ভালোবাসি বলা আর শোনা জীবন না৷ জীবন এরচেয়ে বড়।
আর ভালোবাসা জিনিসটা এত তুচ্ছ না। এটা অনেক ব্রড একটা কনসেপ্ট। যে তোমাকে ভালোবাসবে তার কখনো এটা চাওয়া হবে না তুমি নিজের জীবনে লুজার হও। জীবনে কিচ্ছু এচিভ না করে শুধু তার উপর ডিপেন্ডেন্ট হও।

বিয়ে হয়ে গেলো হয়তো ব্যাপারটা আলাদা। আমি যেহেতু আনম্যারিড তাই এই বিষয়ে জাজমেন্ট দিব না। তবে যেটার ব্যাপারে জানি সেটার বিষয়ে অবশ্যই বলব। তাই বলছি ভালো করে পড়াশোনা কর, কোনো একটা ক্রিয়েটিভিটি থাকলে সেটা কাজে লাগিয়ে ইনকাম করো। এটা ড্রয়িং কুকিং বেকিং ক্রাফট ক্রুশেটের কাজ ক্লদিং বিজনেস কিংবা মেহেদি দেয়া যা কিছু হতে পারে, নিজের যত্ন নাও, ছোট ছোট ব্যাপার নিয়েও প্রাণ খুলে হাসো, অন্যকে হাসাও। নিজেকে নিজেই এতটা ভালোবাসো অন্য কারো তরফ থেকে ভালবাসার কমতি যেনো কখনোই অনুভব ই না হয়। ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here